মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন ২০২৪

আজকের এই পোস্ট থেকে আপনি কোন রকম দালালদের ছাড়া নিজে নিজেই অনলাইনে মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করতে পারবেন। তবে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাড়িতে বসে করতে হলে আমাদের এই আর্টিকেল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাকে বিস্তারিত পড়তে হবে হবে। আজকের আর্টিকেলের বিভিন্ন ধরনের ভিসার আবেদন নিয়ে আলোচনা করেছি।

অর্থাৎ মালয়েশিয়ায় সকল প্রকারের ভিসার আবেদন কিভাবে করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। যেমন মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা, মালয়েশিয়ার টুরিস্ট ভিসা,মালেশিয়ার ফ্যাক্টরি ভিসা এবং কিভাবে আবেদন করবেন তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশী প্রবাসীদের জন্য মালয়েশিয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। বহু সংখ্যক বাংলাদেশী নাগরিক মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রবাসী হিসেবে বসবাস করছেন। আবার ইতিমধ্যেই প্রতিবছর এবং প্রতি মাসেই বহু বাংলাদেশী নাগরিক মালয়েশিয়া পৌঁছে যাচ্ছেন।

তবে দালালের খপ্পরে পড়ে তাদের যাওয়ার খরচটা অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। অনেকে তো দেখা যায় দালালরা আবেদন করতেও সাধারণ নাগরিকদের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যদি এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখে নেন। আপনি নিজে নিজেই অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য শুধুমাত্র আপনাকে এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিতভাবে দেখতে হবে।

মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন

এই মালয়েশিয়া দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি দেশ। এবং তেরোটি রাজ্য এবং তিনটি ঐক্যবদ্ধ প্রদেশ নিয়ে গঠিত। এই মালয়েশিয়া দেশের মোট আয়তন মোট আয়তন ৩,২৯,৮৪৫ বর্গকিমি। এবং এ দেশের রাজধানী হচ্ছে কুয়ালালামপুর। বাংলাদেশ থেকে যারা প্রবাস জীবন কাটানোর জন্য মালয়েশিয়ার বসে থাকেন। তাদের বেশিরভাগই মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বসবাস করে থাকেন। তবে যারা ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে গিয়েছেন তারা অবশ্যই কোন না কোন ভিসার আবেদন সম্পন্ন করেই পৌঁছেছেন।

অতঃপর আপনি বর্তমানে যদি মালেশিয়া যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ভিসা করতে হবে। এজন্য প্রথমে আপনাকে কে আবেদন করতে হবে তাদের নিজস্ব অনলাইন প্লাটফর্মে। তবে এটি আপনি নিজে নিজেই পারবেন। আবেদন শেষে পরবর্তীতে আপনাকে তাদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ও ভিসা ফি পরিশোধ করে মালয়েশিয়ার ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। অতঃপর আজকের এই আর্টিকেল থেকে মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন বিস্তারিত দেখে নিন।

মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন ২০২৪

এই মালয়েশিয়া দুটি ভাগে বিভক্ত যথা মালয়েশিয়া উপদ্বীপ এবং পূর্ব মালয়েশিয়া। তবেই মালয়েশিয়ার সীমান্তে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া,থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ অবস্থিত। যদি আপনি মালয়েশিয়া যেতে চান তাহলে দুভাবে আপনি ভিসা আবেদন করতে পারবেন। প্রথমত সরকারিভাবে আপনি মালয়েশিয়া যেতে পারবেন। দ্বিতীয়ত বিভিন্ন কোম্পানির অর্থাৎ বেসরকারি দ্বারা আপনি মালেশিয়া পৌঁছাতে পারবেন। তবে যেভাবেই পৌঁছে যান না কেন সবার পূর্বে আপনাকে অবশ্যই একটি ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। তো কোন বিষয়ে মালয়েশিয়ার যেতে যাচ্ছেন প্রথমত সে ভিসা নির্বাচন করুন।

তবে আপনি যদি সরকারিভাবে মালয়েশিয়া পৌঁছাতে চান তাহলে নিকটস্থ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস বা আমি প্রবাসী অ্যাপ এর মাধ্যমে BMET Registration করে মালয়েশিয়ায় চাকরির জন্য আবেদন করুন। অর্থাৎ বর্তমানে আপনি মালয়েশিয়া পৌঁছাতে চাইলে বা ভিসা পেতে হলে অবশ্যই বিএমইটির ডাটাবেজে রেজিস্টার করতে হবে। তবে এই মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন অনেকটা সহজ। আপনি নিজে চাইলেই এই আবেদন করতে পারবেন।

মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করার নিয়ম

অনেকেই বেকার না থেকে প্রবাসে গিয়ে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে চায়। বাংলাদেশ হতে বিশ্বের বিভিন্ন যে দেশগুলোতে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়া যায় তার মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম। কিন্তু মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য আপনাকে কিভাবে ভিসা আবেদন করতে হয় সেটি অবশ্যই শুরুতেই জেনে নিতে হবে। বিএমইটির ডাটাবেজে রেজিস্টার করার পর আপনি অনলাইনে মালয়েশিয়ার ভিসার জন্য বিভিন্নভাবে আবেদন করতে পারবেন। যেটা হোক বিভিন্ন এজেন্সি বা সরকারি কোন মাধ্যম থেকে। তবে কিভাবে  মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে হয় সেই নিয়মটি নিচে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছি। অথবা নিয়ম গুলো দেখে নিন।

ভিসা আবেদনের প্রথম কাজ:

যদি মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন করতে চান তাহলে কয়েকটি উপায়ে আপনি আবেদন করতে পারবেন।

  • বিএমইটির কার্যালয় থেকে
  • আমি প্রবাসী’ অ্যাপ এর মাধ্যমে

এই দুটি উপায় হচ্ছে সরকারিভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার আবেদন প্রক্রিয়া বা আবেদনের মাধ্যম।

  • মালয়েশিয়া ই-ভিসা। 

আর এটি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি ভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া বা আবেদনের মাধ্যম।

তবে প্রত্যেকটি পদ্ধতির জন্য আলাদা আলাদা আবেদন প্রক্রিয়া রয়েছে। অতঃপর ভিসা আবেদনের প্রথম কাজ হচ্ছে এই লিংকে(https://www.malaysiamyvisas.com/) প্রবেশ করা। প্রবেশ করার পর 

Apply for Malaysia eVisa লেখা থাকবে এতে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর নিচের দাও ছবিটির মতো ডিসপ্লে দেখাবে।

ভিসা আবেদনের দ্বিতীয় কাজ:

দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে উপরে দেওয়া ছবিটিতে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করা। এটা একদম সহজ ,এখানে আপনার নাম, আপনার দেশের নাম, আপনার জন্ম তারিখ, এবং কোন দেশে যেতে যাচ্ছেন সে দেশ  নির্বাচন করুন। অতঃপর উপরের ছবিতে নিচের দেওয়া Next অপশনটি তে  ক্লিক করুন। ব্যাস আপনার ভিসা আবেদন হয়ে গিয়েছে।

অতঃপর এখান থেকে একটি কপি ডাউনলোড করে আপনার কাছে রেখে দিন। পরবর্তীতে এই অনলাইন কপিটি ভিসা অফিসে জমা দিতে হবে। তবে আপনি কোন কাজের জন্য যেতে চাচ্ছেন তখন এই ফর্ম জমা দিয়ে সে নির্দিষ্ট কাজের চাকরির আবেদন করুন।

মালয়েশিয়ার ভিসার দাম কত

একটি দেশের ভিসার দাম সম্পূর্ণ নির্ভর করে ভিসার ক্যাটাগরির উপরে। বিভিন্ন ধরনের ভিসা পাওয়া যায়, আর প্রত্যেক ভিসার ধরন অনুযায়ী ভিসার দাম এর পার্থক্য হয়ে থাকে। তবে এই বাংলাদেশ থেকে যদি কোন কর্মী মালয়েশিয়ায় পৌঁছে থাকেন তাহলে সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা মাত্র। যদি আপনি দালালদের দ্বারা ভিসার আবেদন বা মালয়েশিয়ার ভিসা পেতে চান। তাহলে মালয়েশিয়ার ভিসার দাম হতে পারে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। তবে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা প্রসেসিং ফি ১,৬০,০০০ টাকা বা তার থেকেও বেশি। 

মালয়েশিয়ার ভিসা পেতে কি কি লাগে

আপনার ভিসার উপর নির্ভর করছে কি কি কাগজপত্র লাগবে। যদি আপনি মালেশিয়া কাজের ভিসায় যেতে চান তাহলে নিজের দেওয়া উল্লেখিত কাগজপত্রগুলো ডকুমেন্ট লাগবে।

  • আপনার ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয় পত্র লাগবে।
  • কমপক্ষে ২ বছরের মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট লাগবে।
  • বিএমইটির ডাটাবেজে রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হবে।
  • আবেদনকারীর বয়সসীমা ২১-৪৫ বছর হতে হবে।
  • বিএমইটি কার্যালয়, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আপনাকে সম্পন্ন করতে হবে। এবং এর একটি অনলাইন কপি।
  • করোনা ভ্যাকসিনেশন কার্ড
  • সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে।

এবং আপনি যদি ভিজিট ভিসা যেটা চান এবং ভিজিট ভিসা পেতে চান তাহলে নিচে দেওয়া লিখিত সে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা তথ্যগুলো লাগবে। অতঃপর সে তথ্যগুলোর তালিকা উল্লেখ করা হলো।

  • আপনার ব্যক্তিগত জাতীয় পরিচয়পত্র।
  • অনলাইন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম।
  • কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট।
  • সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • পূর্বে মালয়েশিয়া যাওয়ার এয়ার টিকেটের কপি।
  • মালয়েশিয়ার হোটেল বুকিংয়ের কপি।
  • এমনকি ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
  • পূর্বে মালয়েশিয়া ভিজিটে গিয়ে থাকলে সেই ভিসার কপি।
  • মালয়েশিয়া অবস্থিত কারো আমন্ত্রণে মালয়েশিয়া গেলে রেফারেন্স লেটার।

মালয়েশিয়া কলিং ভিসার আবেদন

আপনি যদি বৈধ উপায়ে মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসার মাধ্যমে গিয়ে থাকেন তাহলে আপনি সর্বোচ্চ ১০ বছর এই ভিসায় অবস্থান করতে পারবেন। পূর্বে এ বছরের মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা বন্ধ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে এখনও মালয়েশিয়ার সকল ভিসা বন্ধ রয়েছে। আপনি চাইলেও এখন মালয়েশিয়া যেতে পারবেন না। তবে  আপনি যখন এই মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসার জন্য আবেদন করবেন। এবং মালেশিয়া যাবেন সর্বনিম্ন আপনার ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে। এ লিংকে(https://www.malaysiamyvisas.com/) প্রবেশ করে আপনি মালয়েশিয়ার জন্য কলিং ভিসার আবেদন করতে পারবেন।

মালয়েশিয়ার টুরিস্ট ভিসার আবেদন

যদি মালয়েশিয়ার টুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে চান তাহলে আপনাকে ই-ভিসার মাধ্যমে মালেশিয়ায় পৌঁছাতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে যেখান থেকে আপনি এই মালয়েশিয়ার টুরিস্ট ভিসায় আবেদন করতে পারবেন। তবে এ সময় প্রয়োজনীয় তথ্য আপনাকে পূরণ করতে হবে এবং সকল তথ্য সঠিক হলেই আপনার টুরিস্ট ভিসার আবেদন সম্পন্ন হবে।

অতঃপর মালেশিয়ার টুরিস্ট  ভিসার আবেদন এই লিংকে(https://www.imi.gov.my/) প্রবেশ করে করতে পারবেন। তবে আপনি আবেদন করতে চাইলে মালয়েশিয়া অনুমোদিত মোট ২৫ টি এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে করতে পারবেন। এবং টুরিস্ট ভিসায় আবেদন করতে হলে উপরের দেওয়া লিংকে প্রবেশ করে নিচের দেওয়া প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

  • আপনার সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে।
  • একটি বৈধ পাসপোর্ট, যার মেয়াদ সর্বনিন্ম ০৬ মাস থাকতে হবে।
  • পূর্বে মালয়েশিয়া ভিজিট করলে তার ভিসা কপি।
  • আপনার ফিরতি বিমানের টিকেট কপি।
  • আপনার মালয়েশিয়া ভ্রমনের মূল কারণ।
  • মোট ০৩ মাসের আর্থিক সচ্ছলতার প্রমান দিতে হবে।
  • এছাড়াও আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র কপি।

মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা আবেদন

আপনি চাইলে মালেশিয়ার ফ্যাক্টরি বিষয়ে আবেদন করতে পারবেন। এই  ভিসায় প্রচুর চাহিদা রয়েছে এমনকি আপনি অনেক টাকা বেতনও পাবেন। এক্ষেত্রে ফ্যাক্টরি বিষয় যেতে হলে আপনাকে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অতঃপর Ami Probashi App ডাউনলোড করে প্রথমে আমি প্রবাসী রেজিস্ট্রেশন করে নিন। তারপর বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন করুন।

তারপর ভিসা এজেন্সি এর মাধ্যমেও মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসার জন্য আবেদন করুন। এবং সরকার এবং বেসরকারি যে সকল এজেন্সি গুলো রয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। অতঃপর লিংকে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পালন করুন।

সরকারিভাবে মালয়েশিয়া ভিসার আবেদন করার উপায়

যদি সরকারি ভাবে মালয়েশিয়া ভিসার আবেদন করতে চান তাহলে দুটি মাধ্যম ব্যবহার করে আপনি আবেদন করতে পারবেন।

  • বিএমইটির কার্যালয় থেকে
  • আমি প্রবাসী’ অ্যাপ এর মাধ্যমে

নিচে এর পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা করা হলো:

বিএমইটির কার্যালয় থেকে

বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায় মোট ৪২ টি বিএমইটি কার্যালয় রয়েছে। এমনকি  বাংলাদেশের মোট ১১টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে পারবেন। অতঃপর আপনি চাইলে বিএমইটির কার্যালয় পৌঁছে গিয়ে সকল তথ্য সঠিকভাবে জমা দিন। এবং কোন কাজের জন্য যাচ্ছেন সেটির একটি ফরম পূরণ করুন। 

আমি প্রবাসী’ অ্যাপ এর মাধ্যমে

এটি সরকার অনুমোদিত একটি পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভিসা আবেদন করতে পারবেন তবে প্রথমত আপনাকে আপনার পাসপোর্ট স্ক্যান করে ও অন্যান্য সকল তথ্য প্রদান করে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর ৩০০ টাকা ফি পরিশোধ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

আর এই অ্যাপ থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয়তা সকল তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে করতে পারবেন।  এবং এখান থেকে আপনি কোন চাকরি করতে চাচ্ছেন সেটা বেছে নিতে পারবেন। অর্থাৎ এই অ্যাপের মধ্যে চাকরি খুঁজেন অপশন রয়েছে। যেখানে প্রবেশ করে আপনি আপনার পছন্দমত চাকরি নির্বাচন করতে পারবেন।

মালয়েশিয়ার ভিসা চেক করার নিয়ম

কয়েকটি উপায়ে আপনি মালয়েশিয়ার ভিসা চেক করতে পারবেন। এর মধ্যে সবথেকে সহজ-মাধ্যম  হচ্ছে পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মালয়েশিয়ার ভিসা চেক। অর্থাৎ আপনি মালয়েশিয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এবং বিভিন্ন দালাল এবং বিভিন্ন এজেন্সি আপনাকে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে যে আপনার  ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। তো ইতিমধ্যে অবশ্যই আপনার এই মালয়েশিয়া ভিসা চেক করে নেয়া উচিত।

অতএব যদি আপনি মালয়েশিয়ার ভিসা চেক করতে চান তাহলে এই লিংকে প্রবেশ করুন (https://eservices.imi.gov.my/myimms/FomemaStatus)। লিংকে প্রবেশ করার পর নিচের দেওয়া ছবিটির মত একটি ডিসপ্লে দেখতে পারবেন। যেখানে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ পাসপোর্ট নাম্বার এবং দেশের নাম সিলেক্ট করে সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। যদি আপনার ভিসা হয়ে থাকে তাহলে আপনার ভিসা সম্পর্কিত সকল তথ্য ডিসপ্লেতে দেখতে পারবেন।

মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন

মালয়েশিয়ার কোন কাজের বেতন বেশি

আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য মালয়েশিয়া যেতে পারবেন। তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজগুলো  নিম্নে উল্লেখ করা হলো। যে কাজগুলো ভিসা বাংলাদেশ থেকে পাওয়া যায়। এর মধ্যে থেকেই বিভিন্ন কাজের ভিসার জন্য বিভিন্ন বেতন নির্ধারিত। অতএব নিচে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কাজের তালিকা উল্লেখ করা হলো।

  • মালয়েশিয়া কৃষি ভিসা
  • মালয়েশিয়া স্টুডেন্ট ভিসা।
  • মালয়েশিয়াওয়ার্ক পারমিট ভিসা।
  • বিজনেস ভিসা।
  • মালয়েশিয়া টুরিস্ট ভিসা।
  • মালয়েশিয়া কনস্ট্রাকশন ভিসা।
  • মালয়েশিয়া ফ্যাক্টরি ভিসা
  • মালয়েশিয়া ইলেকট্রিক্যাল ভিসা
  • মালয়েশিয়া ফ্রি ভিসা
  • এন্ট্রি ভিসা।
  • মেডিকেল ভিসা।
  • এমপ্লয়মেন্ট ভিসা।

এর মধ্য থেকে ইলেকট্রিক্যাল ভিসার বেতন অনেক বেশি। এবং কৃষি কাজের বেতন ও অনেক বেশি হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি ইলেকট্রিক্যাল কাজের কোন দক্ষতা থেকে থাকে। তাহলে অবশ্যই এই কাজের উদ্দেশ্যে ভিসা সম্পন্ন করুন এবং মালয়েশিয়া পৌঁছে যান। তবে একজন সাধারণ মালয়েশিয়ানের বেতন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। তবে ইলেকট্রিক কাজে মালয়েশিয়া পৌঁছালে এর বেতন সর্বনিম্ন ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা হতে পারে।

শেষ কথা

আশা করতেছি আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনারা মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ জানতে পেরেছেন। এবং মালয়েশিয়া থেকে কোন কোন কাজের ভিসা পাওয়া যায় সে বিষয়টি ও জানতে পেরেছেন। অতঃপর এই পোস্ট থেকে যদি আপনারা উপকৃত হয়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই আপনার আশেপাশের ব্যক্তিদেরকে এই পোস্ট শেয়ার করে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

About Foysal Ahmed

আমি মোঃ ফয়সাল আহমেদ। দীর্ঘদিন যাবত আমি অনলাইন কাজের সাথে জড়িত। আজকের দাম কত সাইটে আমি আমাদের দৈনন্দিন নিত্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পণ্যের দাম নিয়ে আলোচনা করে থাকি। আশা করি আমাদের সাইট থেকে প্রায় সকল ধরনের জিনিসের দাম সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন।

View all posts by Foysal Ahmed →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *